মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৪৮ সালে সর্বপ্রথম আনসার বাহিনী গঠিত হয়। তৎকালীণ পূর্ববাংলা আইন পরিষদে আনসার এ্যাক্ট অনুমোদিত হলে ১৭ই জুন’৪৮ তা কার্যকর হয়। বাহিনী বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে আনসার বাহিনী আইন ১৯৯৫ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার আইন যা সংসদ কর্তৃক গৃহীত হলে ১৫ ফের্রুয়ারী’৯৫ মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করে এবং ১৬ ফেব্রুয়ারী’৯৫ হতে কার্যকর হয়। এই আইন অনুসারে সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আনসার বাহিনী একটি শৃঙ্খলা বাহিনী।

ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনঃ- নেত্রকোণা জেলা কমান্ড্যান্ট এর কার্যালয় ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন মিঃ রহমান চৌধুরী ইএসকিউআর সি,এস,পি ১৯৬৮ সালের ১০ই এপ্রিল তৎকালীণ ডেপুটি কমান্ড্যান্ট,আনসার ও ভিডিপি,নেত্রকোণা ।

 

প্রশিক্ষণ নিয়মাবলী’’

১। গ্রাম ভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ ও মহিলা)

এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রাম প্রতিরক্ষা দলের সদস্য/সদস্যাগন ভিডিপি সংগঠন সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন এবং ভিডিপি প­াটুনের সদস্য/সদস্যা হিসাবে সরকারী কার্যকলাপে ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নে উদ্বুদ্ধ হন। প্রশিক্ষণের নিয়মাবলী নিম্নরূপঃ-

 

4বাছাইকৃত গ্রামের ৩২ জন পুরুষ এবং ৩২ জন মহিলা সমন্বয়ে গঠিত দুটি প­াটুনকে সরকারী খরচে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

4গ্রামের সুবিধা জনক স্থানে  ১০ (দশ) দিনের এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

4একটি গ্রামে একবার এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

4প্রশিক্ষণার্থীকে সর্ব নিম্ন অষ্টম শ্রেনী পাশ হতে হয়।

4প্রশিক্ষণার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ১৮ এবং সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে।

4আনসার ও ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ ছাড়াও হাঁসমুরগী পালন,কৃষি,মৎস্য,পরিবার পরিকল্পনা,বনায়ন ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য গণশিক্ষার উপর প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়।

4দৈনিক ৬০/- টাকা হারে ১০ দিন প্রশিক্ষণে ৬০০/- টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়।

4প্রশিক্ষণ শেষে প্রাপ্ত ৬০০/- টাকা থেকে ১০০/- টাকা মূল্যের আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের

    একটি শেয়ার ক্রয় করতে হয়। শেয়ার ক্রয়কারীগন তাহাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য এলাকার

    আনসার ও ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক হতে সহজ শর্তে ঋণ গ্রহণ করতে পারেন।

4প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ শেষে সনদপত্র প্রদান কার হয়।

4জেলা কমান্ড্যান্ট আর্থিক বছর শুরুর আগেই উপজেলা কর্মকর্তার সুপারিশ মোতাবেক গ্রাম নির্বাচন

   করেন।

4এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রামের ভিডিপি পুরুষ ও মহিলা প­াটুন সমূহ পূনর্গঠিত হয় ও আর্থ

    সামাজিক উন্নয়নে নিজেদের অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

4সরকারী নীতি অনুযায়ী প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্য সদস্যাগন ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর সরকারী চাকুরীতে  

   নির্ধারিত ১০% কোটা আবেদন করার সুযোগ পান।

২। সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণ (পুরুষ ও মহিলা)

          এই প্রশিক্ষণ গ্রহন করলে সদস্য/সদস্যাগন সাধারণ আনসার হিসাবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হন এবং অংগীভূত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। এই প্রশিক্ষণের নিয়মাবলী নিম্নরূপঃ-

4মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বাছাইকৃত আনসার ও ভিডিপি সদস্য/সদস্যাদের ৪২ দিনের সাধারণ আনসার প্রশিক্ষণেন জন্য ধারাবাহিক ভাবে জেলা সদরে ও শফিপুর  আনসার একাডেমী.গাজীপুরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। উক্ত সাধারণ আনসার সদস্যগনকে ক্ষুদ্রা্স্ত্র পরিচালনা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং প্রশিক্ষণ শেষে প্যানেল ভূক্তির মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে সরকারী বেসরকারী স্থাপনায়/সংস্থায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়।

4আনসার আইন ১৯৯৫ এবং আনসার বাহিনী প্রবিধানমালা ১৯৯৬ এর আলোকে সংশি­ষ্ট ব্যক্তিকে 

   নিম্নরূপ যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হয়ঃ-

   (ক) বয়স ১৮ হতে ৩০ বছর।

   (খ) শিক্ষাগত যোগ্যতা  নবম শ্রেনীর রেজিষ্ট্রেশনধারী হতে হয়। তবে এস এস সি বা তদুর্দ্ধ

       পাশদের প্রশিক্ষণ গ্রহণে অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

   (গ) উচ্চতাঃ

   (ঘ) সর্বনিম্ন ১৬০ সেঃ মিঃ অর্থাৎ  ৫র্-৪র্র্ (পুরুষের ক্ষেত্রে)

  (ঙ) সর্বনিম্ন ১৫০ সেঃ মিঃ অর্থাৎ ৫র্-০র্র্ (মহিলার ক্ষেত্রে)

   (চ) বুকের মাপ ৭৫ সেঃমিঃ হতে ৮০ সেঃমিঃ অর্থাৎ ৩০র্-৩২র্র্র্র্ (পুরুষের ক্ষেত্রে)

   (ছ) দৃষ্টি শক্তিঃ ৬/৬

4সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং চারিত্রিক ও নাগরিকত্ব সনদ দাখিল করতে হয়।

4প্রশিক্ষণকালীন প্রশিক্ষণার্থীদের সরকারীভাবে থাকা,খাওয়া,পোষাক-পরিচ্ছদ প্রদান করা হয়।

4এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহনের জন্য কোন সদস্যকে ব্যক্তিগতভাবে কোন অর্থ প্রদান করতে হয়না।

4এই প্রশিক্ষণ সাফল্যজনকভাবে সমাপ্তিরপর সাধারণ আনসারগণদেশের বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী

    কেপিআই/গুরুত্বপূর্ণ

    সংস্থায় অংগীভূত হয়ে নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব পালন করে।

4প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সাধারণ আনসার সদস্য/সদস্যাগন দূর্গাপুজা,জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইত্যাদি দায়িত্ব পালনে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য অংগীভূত হয়ে থাকে।

৩। পেশা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ 

          মৌলিক প্রশিক্ষণ ছাড়াও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন আনসার-ভিডিপি সদস্য/সদস্যা স্বনির্ভর হবার সুযোগ পায়। আনসার-ভিডিপি সংগঠন সদস্য/স্যদস্যাদের প্রতি বছর বিভিন্ন ধরনের পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। যেমনঃ-

4মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ (সাধারণ আনসার এবং ভিডিপি পুরুষ)

4কম্পিউটার বেসিক কোর্স (ব্যাটালিয়ন আনসার,সাধারন আনসার ও ভিডিপি সদস্য/সদস্যা)।

4ইলেক্ট্রিশিয়ান কোর্স (ভিডিপি সদস্য/ব্যাটালিয়ন আনসার/সাধারণ আনসার)।

4নকশিকাঁথা কোর্স (ভিডিপি সদস্যা)।

4ব­াক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন প্রশিক্ষণ (ভিডিপি সদস্য)।

4উন্নত প্রযুুক্তিতে আলু চাষ,সংরক্ষণ ও ব্যবহার শীর্ষক প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ)।

4ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ (ভিডিপি সদস্য)।

4গবাদী পশু পালন কোর্স (ভিডিপি সদস্য)।

4হাঁসুমুরগী চিকিৎসা ও পালন কোর্স (ভিডিপি সদস্য)।

4ফ্রিজ ও এয়ার কন্ডিশনার মেরমত কোর্স (ভিডিপি সদস্য/সাধারণ আনসার)।

4অমৌসুমী সবজি চাষ প্রশিক্ষণ (আনসার-ভিডিপি সদস্য/সদস্যা)

4উন্নত প্রযুক্তিতে নার্সারী স্থাপন প্রশিক্ষণ(আনসার-ভিডিপি সদস্য/সদস্যা)।

4দেশীয় পদ্ধতিতে হাঁস-মুরগীর বাচ্চা স্ফুটন ও পালন(আনসার-ভিডিপি সদস্য/সদস্যা)।

4নারকেলের মালাই থেকে বোতাম তৈরী প্রশিক্ষণ (ভিডিপি সদস্য)।

4আধুনিক ফলচাষ প্রশিক্ষণ (আনসার ও ভিডিপি সদস্য)।

4উন্নতমানের আমচারা উৎপাদন প্রশিক্ষণ (ভিডিপি সদস্য)।

4ষ্ট্রবেরী চাষ ও উৎপাদন প্রশিক্ষণ (ভিডিপি সদস্য)।

4উন্নত জাতের মাশরুম চাষ প্রশিক্ষণ(ভিডিপি সদস্য)।

4সেলাই প্রশিক্ষণ (আনসার ও ভিডিপি সদস্য/সদস্যা)।


Share with :

Facebook Twitter